← Story Library

অন্ধকারের আগ্রাসন

অন্ধকারের আগ্রাসন

প্রথম অধ্যায়: লুকোচুরির শুরু

এক গরম দুপুরে, আরজুন তার কাকিমার বাড়িতে এসেছে, তাদের ছোট্ট মেয়েকে দেখতে। কাকিমার মা, বিধবা রমা, বয়সে পঞ্চাশের কাছাকাছি হলেও, তার শরীরে এখনও একটা অদ্ভুত মাদকতা রয়েছে। ফর্সা গায়ের রঙ, ভরাট শরীর, আর সেই লম্বা চুল—যা দেখলে যে কোনো পুরুষের মাথা ঘুরে যায়। সেদিন সকালে, রমা ছাদে কাপড় শুকোতে দিচ্ছিলেন, আর ভিজে শাড়িতে তার শরীরের প্রতিটি বাঁক স্পষ্ট হয়ে উঠছিল। আরজুন নিচ থেকে দেখছিল, তার চোখে এক অদম্য লালসা।

'কী দেখছিস এত মন দিয়ে, আরজুন?' রমা হঠাৎ নিচে তাকিয়ে হাসলেন, তার কণ্ঠে একটা ঝাঁঝালো টিটকারি।

'তুমি যা দেখাচ্ছ, তা না দেখে পারি না, মাসি। তুমি কি জানো না, তোমার এই ভিজে শরীরে কী জাদু আছে?' আরজুনের কণ্ঠে একটা দুষ্টুমি, কিন্তু তার চোখে একটা হিংস্রতা ঝিলিক দিচ্ছিল।

'এই, বাজে কথা বোলিস না। আমি তোর মাসি, মনে রাখিস।' রমা হাসলেন, কিন্তু তার ভিতরে একটা অস্বস্তি জাগছিল। তিনি জানতেন, আরজুনের চোখে সাধারণ ভালোবাসা নেই, সেখানে একটা ক্ষুধা, একটা পাশবিক আকাঙ্ক্ষা।

দুপুর গড়িয়ে যায়। বাড়ির সবাই যখন ঘুমে বিভোর, আরজুন রমার ঘরের দিকে এগিয়ে যায়। দরজা হালকা ভেজানো, ভিতরে রমা বিছানায় বসে চুল আঁচড়াচ্ছেন। তার পরনে একটা পাতলা নাইটি, যা তার শরীরের প্রতিটি রেখাকে আরও উজ্জ্বল করে তুলছে। আরজুনের শরীরে একটা আগুন জ্বলে ওঠে। সে আর নিজেকে সামলাতে পারে না।

'আরজুন, তুই এখানে কী করছিস?' রমা চমকে উঠলেন, তার কণ্ঠে একটা তীক্ষ্ণ প্রতিবাদ।

'যা করতে এসেছি, তা তুমি বুঝতে পারছ, মাসি। তুমি আমাকে পাগল করে দিয়েছ। এখন আর পিছু হটব না।' আরজুনের কণ্ঠে একটা দৃঢ়তা, তার চোখে একটা পাগলামি।

'একদম কাছে আসবি না, আরজুন। আমি চিৎকার করব।' রমা পিছু হটতে লাগলেন, কিন্তু তার শরীরে একটা অদ্ভুত দুর্বলতা।

'চিৎকার করো, দেখি কে বাঁচায়। আজ আমি তোমাকে পাবই।' আরজুন এক লাফে তার কাছে এসে পড়ল, তার শক্ত হাতে রমার কোমর ধরে টেনে নিল। রমা প্রতিবাদ করলেন, ধাক্কা দিলেন, কিন্তু আরজুনের শক্তির কাছে তিনি অসহায়। তার শরীরে একটা আগুন জ্বলছে, তার cock ইতিমধ্যে hard হয়ে উঠেছে, আর সে জানে, এখন আর কিছুই তাকে থামাতে পারবে না।

রমার নাইটি ছিঁড়ে ফেলার শব্দে ঘর ভরে গেল। তার ফর্সা শরীর উন্মুক্ত হতেই আরজুনের চোখে একটা হিংস্রতা। 'তুমি আমার, মাসি। আজ তোমার এই pussy আমার হবে।' তার কথায় একটা কাঁচা লালসা। রমা চিৎকার করলেন, কিন্তু তার কণ্ঠে একটা ভাঙা সুর। আরজুন তাকে বিছানায় ফেলে দিল, তার শরীরের ওপর চড়ে বসল। তার হাত রমার শরীরের প্রতিটি অংশে ঘুরছে, তার ass ধরে চাপ দিচ্ছে, আর সে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারছে না।

এই মুহূর্তে, দরজার বাইরে একটা শব্দ হল। কেউ কি দেখছে? নাকি এই অন্ধকার খেলা এখনই শেষ হয়ে যাবে? কিন্তু আরজুনের মনে কোনো ভয় নেই, সে শুধু জানে, সে এখন রমাকে পুরোপুরি ভোগ করবে।

Want to know how it ends?

This is just the opening chapter. Continue the saga — or write a steamy tale starring you.