প্রথম অধ্যায়: জ্বলন্ত দৃষ্টি
আর্জুনের পা যখন কাকিমার বাড়ির দরজায় পৌঁছল, তার মনের মধ্যে একটা অদ্ভুত ঝড় উঠছিল। কাকিমার বিধবা মা, মালতী, একজন শক্তিশালী মহিলা, যার সৌন্দর্য এখনো অমলিন। তার ফর্সা গায়ের রঙ, মোটা উরু, আর ভারী পাছা যে কোনো পুরুষের মাথা ঘুরিয়ে দিতে পারে। আর্জুনের মনে সেই লোভের আগুন জ্বলছিল দিনের পর দিন।
আজ দুপুরে, যখন সে কাকিমার বাচ্চা দেখতে এসেছিল, মালতীকে দেখল ছাদে স্নান করতে। ভিজে শাড়ি তার শরীরের সাথে লেপ্টে ছিল, প্রতিটি বাঁক স্পষ্ট। আর্জুনের চোখ আটকে গেল তার ভিজে শরীরে, তার মনে একটা পাগলামি জেগে উঠল। সে নিজেকে সামলাতে পারল না।
‘কাকিমা, তুমি এত সুন্দর কেন?’ আর্জুনের গলা কাঁপছিল, কিন্তু তার চোখে ছিল একটা শিকারীর দৃষ্টি।
মালতী তীক্ষ্ণ চোখে তাকাল, ‘আর্জুন, মুখ সামলে কথা বল। আমি তোর কাকিমার মা, একটু সম্মান দেখা।’ তার গলায় ছিল রাগ, কিন্তু আর্জুনের কানে সেটা যেন আমন্ত্রণের মতো শোনাল।
‘সম্মান? তুমি যখন এভাবে আমার সামনে দাঁড়াও, তখন সম্মানের কথা মনে থাকে না, কাকিমা। আমি তোমাকে চাই।’ আর্জুন এগিয়ে এল, তার শ্বাস ভারী, চোখে লালসা।
‘দূরে থাক, আর্জুন! আমি তোর খেলার পুতুল না।’ মালতী পিছু হটল, কিন্তু তার গলায় ভয়ের সাথে একটা অদ্ভুত শক্তি ছিল। সে জানত, এই ছেলের মনে কী চলছে, আর সে নিজেকে রক্ষা করতে প্রস্তুত।
কিন্তু আর্জুনের ধৈর্য আর ছিল না। সে এক লাফে মালতীর কাছে পৌঁছে গেল, তার হাত ধরে টেনে নিল। ‘তুমি আমার হবেই, কাকিমা। আমি আর অপেক্ষা করতে পারি না।’
মালতী চিৎকার করে উঠল, ‘ছাড় আমাকে, নোংরা ছেলে! আমি তোর বয়সী মেয়ের মা হতে পারি।’ কিন্তু তার কথা শেষ হওয়ার আগেই আর্জুন তার শাড়ির আঁচল টেনে খুলে দিল। তার ফর্সা শরীর দেখে আর্জুনের শরীরে আগুন জ্বলে উঠল। সে আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না।
‘তোমার এই শরীর আমাকে পাগল করে দিয়েছে। আমি তোমাকে আজ নেবই।’ আর্জুনের হাত তার নরম মাইয়ের দিকে এগোল, আর মালতী প্রাণপণে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করল। তার চোখে ভয়, কিন্তু সাথে ছিল একটা অদম্য জেদ।
দুপুরের নির্জন বাড়িতে তাদের এই সংঘর্ষের শব্দ ছড়িয়ে পড়ল। আর্জুনের শরীরে একটা পশুর মতো উত্তেজনা, তার cock ইতিমধ্যেই hard হয়ে উঠেছে। মালতী জানে, এই লড়াইয়ে সে হয়তো হেরে যাবে, কিন্তু সে শেষ পর্যন্ত লড়বে। তার শরীরে ভয়ের সাথে একটা অদ্ভুত গরমি জেগে উঠল, কিন্তু সে নিজেকে সামলাতে চাইল।
‘আমাকে ছাড়, আর্জুন। তুই এর জন্য পস্তাবি।’ মালতীর গলা কাঁপছিল, কিন্তু তার চোখে ছিল আগুন।
‘পস্তানোর সময় পেরিয়ে গেছে, কাকিমা। এখন শুধু তুমি আর আমি।’ আর্জুনের হাত তার শরীরের দিকে এগোল, আর মালতী বুঝল, এই মুহূর্তে তার শরীর আর মনের লড়াই শুরু হতে চলেছে।
Want to know how it ends?
This is just the opening chapter. Continue the saga — or write a steamy tale starring you.