অধ্যায় ১: প্রথম স্পর্শের উত্তাপ
আমি আশিক। একজন সামরিক মানুষ। আমার জীবন শৃঙ্খলাবদ্ধ, কঠোর এবং নিয়মের মধ্যে আবদ্ধ। কিন্তু আমার স্ত্রী বিথি, সে একেবারে আলাদা। বিশ বছর বয়সী, গাঢ় বাদামি রঙের ত্বক, ৩৬ সাইজের বুক, আর একটা হাসি যা যে কাউকে পাগল করে দিতে পারে। আমি তাকে ভালোবাসি, কিন্তু আমার কাজের চাপে তাকে সময় দেওয়া প্রায় অসম্ভব। তাই যখন তার ইংরেজি শেখার সমস্যা দেখা দিল, আমি ভাবলাম এটা তার জন্য একটা ভালো সুযোগ হতে পারে নিজেকে উন্নত করার।
বিথির ইংরেজি শিক্ষক অ্যান্ড্রু, ৪৮ বছরের একজন সাদা চামড়ার পুরুষ। লম্বা, শক্তিশালী গড়ন, আর তার চোখে একটা তীক্ষ্ণ দৃষ্টি যা মনে হয় সবকিছু ভেদ করে দেখতে পারে। সে বলল, 'বিথি একটু ধীরে শিখে। ওকে অন্তত ছয় মাস একজন ইংরেজি ভাষী মানুষের সঙ্গে থাকতে হবে। তাহলেই ও দ্রুত শিখতে পারবে।' আমি ভাবলাম, এটা ভালো আইডিয়া। তাই আমি অ্যান্ড্রুকে আমাদের বাড়িতে থাকার অনুমতি দিলাম। কিন্তু আমি কি জানতাম যে এই সিদ্ধান্ত আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল হবে?
প্রথম দিন থেকেই আমি লক্ষ্য করলাম বিথি আর অ্যান্ড্রুর মধ্যে একটা অদ্ভুত রসায়ন। ওরা পড়ার টেবিলে বসে কথা বলত, হাসত, আর মাঝে মাঝে বিথির চোখে একটা চকচকে দৃষ্টি দেখা যেত। একদিন রাতে আমি ঘরে ফিরলাম, দেখলাম ওরা রান্নাঘরে একসঙ্গে রান্না করছে। বিথি হাসতে হাসতে বলল, 'আশিক, দেখো অ্যান্ড্রু আমাকে পাস্তা বানানো শেখাচ্ছে। ওর হাতের রান্না অসাধারণ!' অ্যান্ড্রু হেসে বলল, 'বিথি খুব দ্রুত শিখছে। ওর হাতে একটা ম্যাজিক আছে।' আমি হাসলাম, কিন্তু মনে মনে একটা অস্বস্তি অনুভব করলাম।
কয়েকদিন পর এক সন্ধ্যায় আমি বাড়ি ফিরে দেখি ঘর অন্ধকার। শুধু বসার ঘর থেকে একটা মৃদু আলো আসছে। আমি আস্তে আস্তে এগিয়ে গেলাম। বিথি আর অ্যান্ড্রু সোফায় বসে আছে, খুব কাছাকাছি। বিথির হাতে একটা বই, কিন্তু ওর চোখ অ্যান্ড্রুর দিকে। অ্যান্ড্রু বলল, 'তোমার উচ্চারণ আরো ভালো হচ্ছে, বিথি। কিন্তু তুমি যখন কথা বলো, তখন একটা আগুন লাগে।' বিথি হেসে বলল, 'আগুন? তুমি কি আমাকে জ্বালাতে চাও, অ্যান্ড্রু?' অ্যান্ড্রুর চোখে একটা দুষ্টু হাসি খেলে গেল। সে বলল, 'জ্বালানোর ইচ্ছে তো আছে, কিন্তু তুমি কি পারবে সেই আগুন সামলাতে?' বিথি একটু ঝুঁকে বলল, 'আমি যে কোনো আগুন সামলাতে পারি। তুমি শুধু দেখো।'
আমার বুকের ভেতরটা ধক করে উঠল। আমি কাশি দিয়ে ওদের মনোযোগ ভাঙলাম। বিথি একটু লজ্জা পেয়ে বলল, 'আশিক, তুমি কখন এলে? আমরা শুধু পড়ছিলাম।' আমি হাসার চেষ্টা করে বললাম, 'ঠিক আছে। আমি একটু ক্লান্ত, ঘুমাতে যাচ্ছি।' কিন্তু আমার মনের ভেতর একটা ঝড় উঠছিল।
পরের দিন আমার কাজের জন্য বাইরে যেতে হলো। আমি জানতাম না যে আমার অনুপস্থিতিতে কী ঘটতে চলেছে। বিথি আর অ্যান্ড্রু সেদিন রাতে বসার ঘরে একা ছিল। বিথি একটা পাতলা নাইটি পরে ছিল, যা তার শরীরের প্রতিটি বাঁককে ফুটিয়ে তুলছিল। অ্যান্ড্রু তাকে দেখে বলল, 'বিথি, তুমি এত সুন্দর কেন? আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারছি না।' বিথি হেসে বলল, 'তাহলে ধরে রাখার দরকার কী? আমি তো এখানে আছি।' অ্যান্ড্রু আর কথা না বাড়িয়ে তার কাছে এগিয়ে গেল। তার হাত বিথির কোমরে রাখল, আর বিথি একটু কেঁপে উঠল। সে বলল, 'অ্যান্ড্রু, এটা ঠিক না। কিন্তু আমি চাই এটা।' অ্যান্ড্রু বলল, 'আমিও চাই, বিথি। আমি তোমাকে চাই।'
তারা একে অপরের দিকে তাকাল, আর পরক্ষণেই তাদের ঠোঁট মিলে গেল। বিথির হাত অ্যান্ড্রুর চুলে, আর অ্যান্ড্রুর হাত তার পিঠে। তারা উত্তপ্ত চুম্বনে মগ্ন হয়ে গেল, যেন সময় থেমে গেছে। বিথি অনুভব করল তার শরীরে একটা আগুন জ্বলছে, আর অ্যান্ড্রুর স্পর্শে সে আরো উত্তেজিত হয়ে উঠছে। সে মনে মনে ভাবল, 'এটা ভুল, কিন্তু এত ভালো লাগছে কেন?' অ্যান্ড্রু তার নাইটির স্ট্র্যাপ নামিয়ে দিল, আর বিথির বুক উন্মুক্ত হয়ে গেল। সে বলল, 'তুমি অসাধারণ, বিথি। আমি তোমাকে থামাতে পারব না।' বিথি হেসে বলল, 'তাহলে থামো না। আমাকে নিয়ে যাও।'
তারা সোফায় শুয়ে পড়ল, আর তাদের শরীর একে অপরের সঙ্গে মিশে গেল। এটা ছিল শুধু শুরু। আমি যখন ফিরব, তখন কি জানতে পারব এই গোপন খেলার কথা? নাকি এটা চলতেই থাকবে আমার অজান্তে?
Want to know how it ends?
This is just the opening chapter. Continue the saga — or write a steamy tale starring you.