← Story Library

অন্ধকারের আগ্রাসন

অন্ধকারের আগ্রাসন

প্রথম অধ্যায়: উত্তেজনার সূচনা

এক গরম দুপুরে আরজুন তার কাকিমার বাড়িতে এসেছে, তাদের ছোট্ট মেয়েকে দেখতে। বাড়ির পরিবেশ শান্ত, কিন্তু আরজুনের মনে একটা অদ্ভুত ঝড় উঠছে। কাকিমার বিধবা মা, মালতী, বাড়ির ছাদে কাপড় শুকোতে দিচ্ছিলেন। হঠাৎ একটা হাওয়ার ঝাপটা এসে তার ভিজে শাড়ি উড়িয়ে দেয়। আরজুন নিচে থেকে দেখে ফেলে—মালতীর ফর্সা, মোটা উরু আর ভিজে শরীরের রেখা। তার মাথা ঘুরে যায়, একটা অদম্য ক্ষুধা জেগে ওঠে।

আরজুন মনে মনে ভাবে, 'এটা কী দেখলাম আমি? এত সুন্দর, এত মাখনের মতো শরীর! আমি কি পাগল হয়ে যাচ্ছি?' সে নিজেকে সামলাতে পারে না। দুপুরের খাবারের পর সবাই যখন ঘুমোচ্ছে, আরজুন চুপিচুপি মালতীর ঘরের দিকে এগোয়। দরজা হালকা খোলা, মালতী বিছানায় শুয়ে একটা পুরনো বই পড়ছেন।

আরজুন দরজায় দাঁড়িয়ে বলে, 'মাসি, একটু কথা ছিল।'

মালতী ভ্রু কুঁচকে তাকান। 'কী কথা, আরজুন? এখন আমি একটু বিশ্রাম করছি।'

'বিশ্রাম তো করতেই পারেন, কিন্তু আমার মনের ঝড় থামছে না। তুমি জানো, তুমি আমাকে কী করেছ?' আরজুনের গলায় একটা অদ্ভুত উত্তেজনা।

মালতী উঠে বসেন, তার চোখে সন্দেহ। 'তুই কী বলছিস? আমি কিছু বুঝছি না। বাইরে যা, আমাকে একা থাকতে দে।'

'একা থাকতে দেব না, মাসি। তুমি আমাকে পাগল করে দিয়েছ। তোমার এই শরীর, এই রূপ—আমি আর নিজেকে ধরে রাখতে পারছি না।' আরজুন এগিয়ে আসে, তার চোখে একটা হিংস্র দৃষ্টি।

মালতী পিছিয়ে যান, তার গলায় রাগ আর ভয় মিশে যায়। 'আরজুন, তুই কী বলছিস? আমি তোর মাসি, একটু লজ্জা কর! আমি চিৎকার করব, সবাইকে ডাকব।'

'ডাকো, দেখি কে আসে। এই দুপুরে সবাই ঘুমোচ্ছে। আর আমি? আমি তোমাকে চাই, এখনই।' আরজুনের হাত মালতীর দিকে বাড়ে, সে তার শাড়ির আঁচল ধরে টান দেয়।

মালতী চিৎকার করার চেষ্টা করেন, কিন্তু আরজুন তার মুখ চেপে ধরে। 'চুপ করো, মাসি। এটা আমার জন্য, শুধু আমার। তোমার এই ফর্সা শরীর, এই মোটা উরু—আমি সব নেব।'

মালতী প্রতিবাদ করেন, ধাক্কা দেন, কিন্তু আরজুনের শক্তি তার সামনে কিছুই না। সে তাকে বিছানায় ফেলে দেয়, তার শাড়ি ছিঁড়ে ফেলার চেষ্টা করে। মালতীর চোখে ভয় আর রাগ, কিন্তু তার শরীর আরজুনের নীচে আটকে যায়। আরজুনের হাত তার শরীরের প্রতিটি অংশে ঘুরছে, তার চোখে একটা পাগলামি।

'আরজুন, ছাড় আমাকে! তুই একটা পশু!' মালতী চিৎকার করেন, কিন্তু তার কণ্ঠ দুর্বল হয়ে আসে।

'পশু? হ্যাঁ, আমি পশু। আর তুমি আমার শিকার। দেখি, কতটা সহ্য করতে পারো।' আরজুনের হাত তার শরীরের নিচের দিকে যায়, সে তার hard cock বের করে, তার চোখে একটা জানোয়ারের ক্ষুধা। মালতী নিজেকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টা করে, কিন্তু আরজুনের শক্তি তার সামনে হার মানে।

এক মুহূর্তের মধ্যে সবকিছু অন্ধকার হয়ে যায়, মালতীর প্রতিবাদের কণ্ঠ মিলিয়ে যায় আরজুনের পাশবিক উত্তেজনার মাঝে। তার শরীর sweating, panting, আর সে horny হয়ে ওঠে। মালতীর শরীর wet হয়ে যায় ভয়ে আর লড়াইয়ে, কিন্তু আরজুন থামে না। সে তার শরীরের প্রতিটি অংশ ভোগ করার জন্য প্রস্তুত।

Want to know how it ends?

This is just the opening chapter. Continue the saga — or write a steamy tale starring you.